যা সহজে বোঝা যায় না
তা নিয়েই উপন্যাস হয়,কবিতা হয়।
তুমি’ই তো একদিন এই চোখ জোড়াকে
পদ্মচক্ষু বলে আখ্যায়িত করেছিলে।
সেই তুমি’ই আজ এই চোখের ভাষা বোঝো না?
অথচ বলেছিলে,
এই চোখের বর্ণনায় গোটা একটা উপন্যাস লেখা যায়।
তাই তো তোমার,
শত পৃষ্ঠার উপন্যাসের প্রধান চরিত্র হলাম,
বিশাল আকৃতির কবিতার প্রাণভোমরা হলাম।
কিন্তু তুমি তো সেই চোখের ভাষাই বুঝলে না
স্থির দৃষ্টির আড়ালে থাকা আক্ষেপ বুঝলে না
বিষন্ন চোখ দুটোর মনিতে জমে থাকা হাজারটা প্রশ্ন বুঝলে না।
যে চোখে তাকিয়ে অপার্থিব শান্তি খুঁজে পেতে তুমি
সে চোখ আজ তোমার কাছে অজানা গ্রহ।
যে চোখে চোখ পরলে পলকহীনতায় দিন কাটতো তোমার
সে চোখে তাকিয়ে তুমি এখন আর ভালো থাকার গন্তব্য খোঁজো না।
সে চোখ আজ,
শুধু তোমার না ফেরার পূর্বাভাস’ই দেয়।
বিষাদের রং মেখে যে চোখ
শুভ্রতার রূপ পরিবর্তন করে,
রক্তিম বর্ণ ধারণ করলো
তুমি তো সেই চোখের মায়াই বুঝলে না।
যে স্নিগ্ধ চোখের ভাষা বোঝে না
সে কি করে উপন্যাসের উপসংহার বুঝবে?
যে বজ্রকঠোর আক্ষেপ বোঝে না
সে কি করে কবিতার ছন্দ বিন্যাস বুঝবে?
যে সরলতার উপমা বোঝে না
সে কি করে ধনুকবাঁকা প্রশ্ন বুঝবে?
তুমি আনবিক বোমা বোঝো
অথচ আমার চোখের ভাষা বোঝো না!




সুন্দর লেখা
অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া