পনেরোর গ্রন্থি ছিঁড়ে ষোলতে পড়তেই
বন্ধ দরজার ভেতর ঢুকে পড়ল শীতমাখা বৃষ্টির
আমেজ। মেঘলা বিষণ্ণতার ভেতর উঁকি দিল
চাবুকের মত তীক্ষ্ণ স্মৃতিবৃষ্টির ছাট। আমার প্রাক্তন
প্রেমিকা কোন বিমূর্ত কবিতা ছিল না।
তার প্রেম কিংবা প্রতারণা জলস্বচ্ছ সরোবর। যেটুকু
প্রতিসরণ কোণের কারিগরি তাতেও এমন শিল্পস্পর্শের
দ্যোতনা যে সেই নৈর্ব্যক্তিক ব্যঞ্জনার আগুনে
পুড়িয়ে নেয়া যায় সমস্ত বিকেলের কথিকাগুলো।
পনেরো থেকে ষোলর গুহামুখে এক অস্পষ্ট স্মৃতির
ভেতর উন্মোচিত তার দুহাতে এখনো আমার দেয়া
গোলাপের কুহক। এখন মনে হচ্ছে হয়ত আমাকেই
গ্রাস করেছিল সুররিয়ালিস্টিক গ্রহণ। আঁকড়ে
ধরলেই সে হাত সমর্পিত হত তুমুল স্বচ্ছতায়।
পনেরো থেকে ষোলতে পা দিলে দুর্বোধ্যতম কিশোরীও
বুঝি গায়ে জড়ায় লতার পেখম।




সুন্দর!
ধন্যবাদ
Darun!
ধন্যবাদ