আফিয়া কেঁদেই যাচ্ছে আর স্নিগ্ধা তাকে শান্ত করার চেষ্টা করছে। মাহিদ চোখ বুজে আছে। তার মাথা দিয়ে অনবরত রক্ত পরছে। হঠাৎ কেউ একজন রুমে প্রবেশ করে। তার মুখ রুমাল দিয়ে বাঁধা ছিল। সে ওদের সামনে একটা চেয়ার টেনে বসে। তারপর কতক্ষণ স্নিগ্ধার দিকে তাকিয়ে থাকে। স্নিগ্ধার থেকে চোখ সরিয়ে নিচের দিকে ঝুঁকে এক আঙ্গুল দিয়ে কপাল চুলকাতে চুলকাতে বলে,
“তোমাদের এখানে আসা ঠিক হয়নি। নিজেদের জীবনের মায়া নাই কি?”______(অজানা ব্যক্তি)
“কে আপনি? আমাদের কেনো আটকে রাখছেন? যেতে দিন আমাদের। না হয় এর ফল কিন্তু ভালো হবে না।”_______(মাহিদ)
“ভয় দেখাচ্ছো? নিজেরা আগে এখান থেকে বের হয়ে দেখাও। তারপর না হয় ভেবো আমার কি হয়। খুব সখ হয়েছে রহস্য উন্মোচন করার তাই না? সব সখ আজকে মিটে যাবে।”______(অজানা ব্যক্তি)
“আপনি কে বলুন? একবার আপনার নামটা সাহস করে বলে দেখুন। তারপর দেখেন আপনার কি হয়।”_____(স্নিগ্ধা)
“আবির। আবির চৌধুরী নাম আমার। যাও এখন তা পারো করো।”______(আবির)
“আবির ভাইয়া! আপনি!”_____(স্নিগ্ধা)
আবির স্নিগ্ধার কথা শুনে একটা বাঁকা হাসি দেয়। তারপর স্নিগ্ধার সামনে গিয়ে দাঁড়ায়। স্নিগ্ধার চেয়ারের হাতলের উপর হাত রেখে কিছুটা স্নিগ্ধার দিকে ঝুঁকে যায়।
“হ্যা। আমি আবির চৌধুরী। তোর আবু দা। আব্রাহাম চৌধুরীর ছোট ছেলে আর আদিব চৌধুরীর ভাই।”_____(আবির)
“তুমি এই শহরেই আছো কিন্তু আমাদের সাথে কেনো কোনো যোগাযোগ রাখোনি? এত বছরে একবারও আমাদের বাসায় যাও নি। ফুফু কেমন আছে? কোথায় আছে? দাদি, বাবা তোমাদেরকে কতো খুঁজেছে। কোথায় ছিলে তোমারা? আর তুমি এসব কাজের সাথে জড়িত? কেনো?”______(স্নিগ্ধা)
“কিছু প্রশ্নের কোনো উত্তর হয় না স্নিগ্ধা।”______(আবির)
এই বলে আবির চোখের পানি মুছতে মুছতে রুম থেকে বের হয়ে যায়। আর তার সাথের লোকদেরকে বলে যায় যেনো মাহিদের মাথায় ব্যান্ডেজ করে দেয় আর ভোর হতেই যেনো ওদের তিনজনকে আইদের অফিসের সামনে ছেড়ে দিয়ে আসে।
_____________
“তুই কি করছিস এসব? কেনো করছিস?”_______(সিয়াম)
আদিব কোনো উত্তর না দিয়ে ফোন ঘাটতে থাকে। তখনই আদিবের ফোনে কল আসে আর সে তাড়াতাড়ি করে রুম থেকে বের হয়ে যায়। সিয়াম কিছু জিজ্ঞেস করে না আর আদিব কে। সে চেয়ারে বসে ফোন ঘাটতে শুরু করে। তখনই তার ফোনে আদিবের ম্যাসেজ আসে।
“আমি সিলেট যাচ্ছি। এবার সব প্রশ্নের উত্তর নিয়ে আসব। আর এই নাটকের অবসান ঘটাবো।”______(আদিব)




সুন্দর 🥀
সুন্দর 🥀
অসাধারণ