তোমার শাড়ির ভাঁজে লুকিয়ে রেখেছি কিছু মৌনতার বোধ;
তুমি তবু দৃষ্টিনিরোধ।
চেয়ে দেখ পানপাত্রে লেগে আছে নিঃশ্বাসের ঘ্রাণ;
চোখে চোখে শুষে নিচ্ছি- জীবনের পূর্ণ অনুপান।
ব্যাকুল ঠোঁটের ভাঁজে, আড় হয়ে আছে কিছু মুগ্ধতার কণা;
ছড়ানো জমিনে এসো এঁকে দেই যাদু আল্পনা।
আঁচলে জড়িয়ে যদি তুলে নাও মেঘের হেঁয়ালি
অনুপম অনুভবে। যতবার এই জোড়াতালি–
ততবার অস্ফুটে কিছু কিছু বিরূপাক্ষ বোধ;
আমাকে ভাসিয়ে নিচ্ছে। তুমুল বাজিয়ে নিচ্ছে
তৃষাতুর নেশার সরোদ।
মায়াবী শাড়ির মত দুলে ওঠো আরো কিছু রোদেলা অসুখ;
নিবিড় জড়িয়ে নাও; দুহাতে ভরিয়ে দাও–
তাতানো অঙ্গ জুড়ে আজ শুধু বরফ ঝরুক।
ও মেয়ে শাড়ির ভাঁজে, চেয়ে দেখ- জ্বলে ওঠে আতসী আগুন;
আদিম গুহার দিকে তাক হয়ে আছি- এই সভ্যতার তূণ।
তাকাও- তাকিয়ে দেখো, কি রকম অদ্ভুত তাজা তাজা ভোর;
ঝাঁপানো বৃষ্টি মেখে, অবিরাম ভেজাচ্ছে- তৃষিত অধর।




অদ্ভুত সুন্দর একটা ছবি এঁকেছেন
ধন্যবাদ রাজিব
কী সুন্দর!
ধন্যবাদ
অনেক ধন্যবাদ শাম্মী
অনিন্দ্য সুন্দর লেখা
ধন্যবাদ সুমাইয়া