অনির্বাণ…
চিঠির নিয়মানুযায়ী শুরুতেই জানতে চাইবো না, কেমন আছো?
জানি— হয়তো ভালোই থাকবে তুমি!
আচ্ছা – বলোতো? হটাৎ সেদিন না চাইতেও অমন বিশ্রি রকম ভাবে দেখা হওয়াটার কি খুব দরকার ছিলো?
ছিলো না তো!
তুমি হয়তো ভাববে,দেখা হতেই পারে,
স্বাভাবিক ভাবে নিলেই তো হয়…
কিন্তু অনির্বাণ,
এতটা স্বাভাবিক ভাবে কেমন করে নেই বলোতো?
তোমার সাথে অন্য এক মায়াবতী!
তার হাত ধরে তুমি আনন্দে হাঁটছিলে! চুড়ি কিনে পরম যত্নে পড়িয়ে দিচ্ছিলে তার হাতে!
কপালের টিপটা একটু বাঁকা হয়ে গেছিলো বলে,কী ভীষণ আদরে ঠিক করে দিয়েছিলে!
আচ্ছা – এসব দৃশ্য কি স্বাভাবিক ভাবে নেয়া চলে?
জানো অনির্বাণ?
বাড়িতে ফিরে অনেকক্ষন কাঁদার চেষ্টা করলাম!
ভাবলাম— বুকের ভেতর কষ্টে জমানো শক্ত পাথরটা একটু হলেও যদি গলে?
একটু হলেও যদি নিঃশ্বাসটা হালকা হয়?
কিন্তু কিছুতেই পারলাম না জানো তো?
এই আমার এক বিশাল সমস্যা…
অনেক কষ্ট পেলে কখনোই কাঁদতে পারি ন!
অনির্বাণ!
বিশ্বাস করো— যদি ঐ মুহুর্ত গুলো মুছে ফেলার কোনো ইরেজার পেতাম,
খুব সহজেই যদি মুছে ফেলতে পারতাম বিশ্রি ঐ দৃশ্য গুলো!
একটু হলেও ভালো থাকতে পারতাম জানো?
অনির্বাণ,
তোমাকে ভালোবেসে ভালো না থাকার এই ভ য়ং ক র শাস্তি আর কতকাল চলবে?
ইতি…
অপর্ণা



