ওহে মায়াবতী,
কেমন আছো মন খাঁচায় বন্দিনী? অনেক দিন ধরে কিছু না বলা কথা আমার অন্তরে চিন চিন ব্যথার কারণ হয়ে উঠেছে। সামনাসামনি বলার সাধ্য আমার নেই । তাই চিঠির মাধ্যমে তোমাকে জানান দিতে চাই আমার হিয়ার মাঝে জমিয়ে রাখা সুপ্ত অনুভূতিগুলোর। সবাই পরে প্রেমে, কেউ বা মায়ায়। আর আমি তো “তোমাতে আসক্ত”। তুমি নামক নেশায় বিভোর আমি। জানিনা কত যুগ ধরে তোমায় ভালোবাসি। সেই প্রথম দিনের দেখা থেকে আজ পর্যন্ত এক মুহুর্তের জন্য তুমি ছাড়া অন্য কিছু ভাবতে পারিনি। নীল শাড়িতে যে তোমাকে অপরূপা সুন্দরী লাগে। তোমার মেঘবরন কালো কেশের সৌরভ ফুলকেও হার মানায়। আর ঐ আঁখি যুগল মনে হয় এক বিশাল সমুদ্র যাতে আমি বারবার ডুবে যাই। তোমার ঠোঁটের হাসি যেনো সমুদ্রের ঢেউ। তুমি যখন হাসো অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকতে ইচ্ছে করে। এমন মায়ায় ভরা হাসি কারো হয়? আর কি উপমা দেব তোমায়। তোমার সৌন্দর্যের বর্ণনায় পুরো একটা সাহিত্য লেখা যায়। কিন্তু আমি তো সাহিত্যিক নই। তাদের মতো গুছিয়ে লিখতেও জানিনা। আমার মনে অঙ্কিত তোমার ছবি থেকে তোমার বর্ণনা দিলাম।
জানো তোমার পাশ দিয়ে যখন হাটি ইচ্ছে করে তোমার হাত ধরে বলি,” তোমার চলার পথের সঙ্গী করবে? আমার হাত ধরে জীবন চলার পথ দেখাবে?”
শুনেছি তুমি চা খেতে অনেক পছন্দ করো। কোনো এক শিশির ভেজা ভোরে তোমার পাশে বসে তোমার হাতের চা খেতে খেতে সূর্য উদয় দেখতে চাই। কোন এক বৃষ্টির দিনে টং দোকানে বসে ধোঁয়া ওঠা চায়ের কাপে চুমুক দিতে দিতে তোমার সাথে গল্প করতে চাই। কোন এক গধূলিতে তোমার হাত ধরে নদীর তীরে হাঁটতে চাই। তুমি নীল শাড়ি পরবে, হাতে নীল চুড়ি আর খোঁপায় থাকবে গোলাপ। আর আমি তোমার দিকে বিস্ময় নিয়ে তাকিয়ে থাকব।নয়ন ভরে তোমাকে দেখব।
সে সুযোগ কি আমায় দেবে তুমি? আমাকে তোমার করে কি নিবে? বাসবে ভালো?
তুমি আমাকে ভালোবাসো বা না বাসো আমি জীবনের শেষ সময় পর্যন্ত শুধু তোমাতে আসক্ত থাকব।
আরো অনেক কিছু বলার আছে। কোনো এক জোসনা ভরা রাতে তোমার কোলে মাথা রেখে সব বলব।
ইতি,
তোমাতেই আসক্ত
প্রণয়




আহা! লেখার প্রেমে পড়ে গেলাম। 🖤
আমার প্রণয় কোথায় তাকে তো খুঁজেই পাই না। আড়ালে বসে চিঠি না লিখে আমার কাছে চলে আসো।
এ জীবনে আসবে না তুমি ভাবনা বাদ দেও গো মায়াবতী🥺😑