প্রিয়তমার অপেক্ষা আমাকে এখন আর বিষন্ন করে তোলে নাহ!শুধু একচিত্তে কিছু আক্ষেপ জমা হয়।তৈরি করে অনেক প্রশ্নের।যার উওর গুলো অস্পষ্ট!!
যে অপেক্ষায় আমায় দাগ কেটে গেছে ক্যালেন্ডারে সাজনো দিন,মাস থেকে শুরু করে বছরের পর বছর!
পূর্ব দিগন্তে তাকিয়ে একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে একটাই চাওয়া –
যদি বহুদিন পর দেখা হতো আবার..!!
প্রিয়তমাকে জিজ্ঞাসা ছিলো কিছু অলিখিত প্রশ্নের!
দেখা হলে বলতাম-
আমার অন্তঃজালকে কোন অক্ষিতে দেখো?
নিশ্চয়ই নির্মোহ দৃষ্টিতে!!
দেখতেই পারো স্বাভাবিক,কত বসন্ত একচিত্তে নির্লভ মনে কেটে গেছে তুমি তা কি করে জানবে! কর্নিয়ার রেশগুলো এখন শুখিয়ে কাঠমড়া।আর জলের স্পৃহা নেই! তবে কি জানো তিয়াসা কি কাকে বলে?
প্রিয়তমা-
বুঝো স্পৃহা?
মনের আত্মতৃপ্তির বিরুদ্ধে গিয়ে রুক্ষভাষায় দু-দন্ড কথা বলার অনুরোধ জানিয়েছিলাম তোমাকে বহুবার, সহস্রবার!!
সেই যে মুখ ঘুড়ালে আর ফিরলে নাহ!তোমাকে আটকে রাখার চুক্তিপত্র ছিল না কোন,কিন্তু নিঃস্বার্থভাবে তোমার দুঃখ-সুখের সাথে থাকার ইচ্ছে নথি অনুযায়ী আমি স্বপ্ন দেখতাম তোমার হাতে পঞ্চত্বপ্রাপ্তি হবো!
কিন্তু তুমি লিখে দিলে দু-পাতা বিচ্ছেদ!
বলেছিলাম- প্রচন্ড রকমের ভালোবাসি খুব,খুব খুব!
প্রতিউত্তরে নীর্লভ শ্লেষ কটাক্ষের স্বীকার আর রসহীন বাচনভঙ্গি,যা ছিলো রসিকতার পরিচয়! বাহহ চমৎকার!
এত অবহেলা আর অপমানের পরেও যে অপেক্ষাকে লেপটে ধারন করেছি তার মোহ লালিত ঝোক ভূমিষ্ঠিত হতে দেয়নি কখনো!সদাসর্বদা অনন্যচিত্ততে আমি আমাকেই তোমার মাজে রেখে দিবো আজন্মকাল!
আমি মিথ্যে নই,আমি নির্ভুলই ছিলাম!
তোমার সাথে আমার বন্ধন তো ছিল,পুরো একজনমের।থাকবেও আজন্মকাল!
শেষদিবসেও আমি তোমাকে পাওয়ার তিয়াসা নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকবো!!




চমৎকার
Bah kub Sundor
চমৎকার
অসাধারণ