যেসব আবদার নিয়ে আমি তোমার দুয়ারে ভিক্ষুকের মতোন দাড়াই,
সেসব আবদার পুরণ করা তোমার কাছে মামুলি ব্যাপার!
এ কথা তুমিও জানো-
তবুও তুমি আমায় ফিরিয়ে দাও, কাঁচের গ্লাসের ওপাশে থাকা ধনীব্যক্তির মতোন!
কেবল আমি একা জানবো,এমন কোনো ডাকনাম তোমাকে দিতে চাইলে,
তুমি উপেক্ষা করে যাও তাচ্ছিল্যের হাসিতে-
যেনো তোমাকে দেয়া ডাকতাম আর হাস্যকর কোনো কথা একই ব্যাপার!
তোমাকে যদি নজরুলের কবিতা পড়তে বলি,তুমি কেবল বিদ্রোহী কবিতা পড়ো,
দেশ নিয়ে ভাবো,মানুষ নিয়ে ভাবো, অথচ- আমায় নিয়ে ভাবার কোনো আগ্রহ তোমার নেই বললেই চলে,
যেমন,নজরুলও যে প্রেমের কবিতা লিখেছে, এ কথা যেনো জানোই না!
তোমাকে রবীন্দ্র সংগীত শুনতে বললে,তুমি কেবল এক একটা অন্তরা শুনে পাল্টে ফেলো প্লে-লিস্ট!
যেনো রবীন্দ্রনাথ এর গান বিষের মতোন বিদ্ধ হয় তোমার মস্তিষ্কে,ভয় পাও শুনতে!
নাটক বলতে কেবল বুঝো সিরাজুদ্দৌলা কিংবা নীলদর্পণ!
যাতে কোনো প্রেম নেই- কেবল আছে সংঘাত!
শরৎচন্দ্র তোমার প্রিয় লেখক নয়,উনি যে প্রেম লিখেন?
জীবনানন্দের বনলতা সেন তোমার ভালো লাগে না,তুমি পড়ো সেসব কবিতা-
যাতে প্রেমের ছিটেফোঁটাও নেই!
কেবল তোমারে ভালোবেসেছি একবার বসন্তের মতোন,
তাই তোমার সমস্ত অবহেলা অগ্রাহ্য করেও অপেক্ষায় থাকি!
যদি কোনো কালে প্রেম জাগে তোমার দন্ডিত শক্ত হৃদয়ে?
যদি- সংঘাত ভুলে ভালোবাসতে শিখো, কোনো এক ফাল্গুনের দ্বিতীয় প্রহরে!



