ছেলেটার সাথে রোজই দেখা হয়!
প্রতিদিন একটা শার্ট পড়ে গলির সামনে দিয়ে উদ্দেশ্যহীন হাঁটে…
কখনো সখনো আঙুলের ফাঁকে দেখা যায় আধখাওয়া সিগারেট!
এইতো কিছুদিন ওর প্রেমিকার বিয়ে হয়ে গেলো অন্যত্র…
চোখের সামনে দিয়ে মেয়েটি চলে গেলো!
অথচ- ও কেবল চেয়ে চেয়ে দেখলো- একটু কাদলোনা পর্যন্ত!
ওর চেয়ে থাকা দেখে মনে হলো পৃথিবীর সবচাইতে সুখের দৃশ্য বুঝি প্রেমিকার চলে যাওয়া…
অথচ- ও ভেতর থেকে ক্ষতবিক্ষত হয়ে গেলো!
ওর পৃথিবী ভেঙে চুরমার হয়ে গেলো!
কেউ জানলো না— কেবল ও হারাইলো ওর হৃদয়ের সবটা!
এইতো কিছুদিন আগেও দেখতাম,মেয়েটা নিজ হাতে ওর জন্য খাবার নিয়ে আসতো!
যাওয়ার সময় পকেটে টাকা গুঁজে দিয়ে যেত, যাতে পরের বেলাটা খালিপেটে থাকতে না হয়!
আজকে থেকে ওর জন্য আর কেউ আসবে না হয়তো!
ওর উদ্দেশ্যহীন হেঁটে বেড়ানো,দেরি করে ঘুম থেকে ওঠা নিয়ে কেউই আর বকবে না ওকে!
ছেলেটা এইসব যত্ন হারাইলো!
তারপরও কেমন নির্লিপ্ত –
অদ্ভুত লাগে ছেলেটারে!
বেকারত্বের অভিশাপে যে ছেলেটা হারিয়েছে শখের মানুষ –
কেবল সেই ছেলেটা জানলো, তার কতখানি হারাইলো,
আর পৃথিবীর একটা পাতারও কিছু হইলো নাহ…



