লেখকদা…!
বহুদিন দেখা নেই আপনার।
লুকিয়ে থাকতে বড্ড ভালোবাসেন বুজি??
শহরতলীর গলিগুলোতে আপনাকে দেখি না।
রোজকার আড্ডা গুলো কি শরৎ এর মেঘে ঢেকে গেছে?
বৃষ্টি এসে শহর ধুয়ে চলে গেছে সেই কবে-
আমি এই অবলেয়া কাশফুল এর ঘ্রান শুনতে পাচ্ছি।
শহরতলীর দেয়াল গুলোতে শ্যওলা জমে গেছে, রোদ উঠলে শ্যওলা গুলো আরও সবুজ হয়ে উঠে।
ভরে গেছে সবুজ পাতা,নীল পলিথিন মোড়া চায়ের হাট।
লেখকদা-
আপনাকে নিয়ে সবকিছু এবার দেখতে বের হওয়া প্রয়োজন।
শহরে এই চেনা পথগুলো যে মায়া গেঁথে আছে
আমরা না বেরুলে কে দেখবে বলুন..??
এই শহর আপনার মত ছায়াকে খুঁজে।
লেখকদা,
আমাকে আপনার ছায়ার সঙ্গী বানান না!!
এই শহরে কুয়াশার নীড় ছুতে আপনাকে বড্ড দরকার।
খুব ভোরে বৃদ্ধা ইস্টিশনে দাড়িয়ে থাকবেন আমার জন্য।
আমি বলবো-
লেখকদা আসেন উঠে পড়ি,
শীত শীত সকালে ধোঁয়া ওঠা চায়ের মুখরিত ঠোঁটের স্পর্শে মুখোমুখি আমরা দু’জন।
কোথাও চলেন যাই দূরপাল্লার ট্রেনে করে অচেনা কোন পাহাড়ে কিংবা সমুদ্রের ডেউয়ের খুব কাছাকাছি।
যেখানে সকল নির্জনতা পড়িয়ে আমাবস্যা ডাল পালা সরিয়ে ঢুকে পরি গভীর অরন্যে।
বনের ফাঁক থেকে আকাশ থেকে ছুয়ে পরা ছিট ছিটে জোস্নার আলো উপছে পড়ছে আপনার আমার চোখে।
স্নিগ্ধতা উপচে পড়ুক আমার হৃদয়ে;
লেখকদা এ-ই অসময়ে আপনার উপস্থিতি বড্ড প্রয়োজন!
এ-ই দূর্দিন আছে বলেই তো কোন এক সম্পর্কের জেরে আপনাকে খুজছি শহরতলীর গলিতে।
লেখকদা একটা কবিতা শুনিয়েন আমায় প্লিজ…!
নীল পলিথিন মোড়ানো চায়ের হাট, সবুজ পাতা আর শ্যাওলায় পড়ে থাকে দেয়াল আপনার কবিতা শুনতে চায়।
সত্যি বলছি লেখকদা-
এই দূর্দিনে আপনাকে আমার ভীষণ প্রয়োজন।
অন্তত কিছু কথা বিনিময় হোক।
প্লিজ প্লিজ প্লিজ !!



