এখন তুমি কোথায় আছো,কেমন আছো? পত্র দিও…
সকাল হলেই কোন মানবী তোমার চোখের ঘুম টেনে নেয়?
কার আঁচলের গন্ধ মেখে তোমার সকল বেলা ফুরায়?
পত্র দিও…
সে কি তোমার খেয়াল রাখে? আমার মতোন!
মন খারাপের অসুখ হলে – পাশ বালিশে স্বান্তনা হয়?
কার কাছে রোজ গল্প শুনো চাঁদের বুড়ির?
কে গেঁথে দেয় শুভ্র মালা শুকনো কুড়ির?
পত্র দিও…
কষ্ট পেলে এখনও কি, মুখ লুকিয়ে কান্না করো?
কার চাদরে কষ্ট মেখে,সুখী হতে জড়িয়ে ধরো?
কেইবা তোমার দুঃখের পাশে, শীতল হয়ে একটু বসে?
অঝোর ধারা শ্রাবন দিনে, কার ছোঁয়াতে শান্তি আসে?
পত্র দিও…
এখন তোমার অসুখ হয়না জ্বরের মতো?
নাপার আগেই কপাল ছুঁয়ে, কে সেরে দেয় জ্বরের ব্যাথা?
বিকেল হলেই মেঘলা দিনে, কার কাছে চাও চায়ের পাতা?
পত্র দিও…
জানতে বড্ড ইচ্ছে হয় খুব- কেমন আছে তোমার মানুষ?
অভিমানে বর্ষা দিনে, সে কি তোমায় আগলে রাখে?
তোমার সকল বদ- অভ্যাসেও, ভালোবেসে মিশে থাকে?
পত্র দিও…
আমি ছিলাম অপ্রেমিকা- জানতাম না প্রেম কেমনে বিলায়!
তাই তো তুমি খুঁজে নিলে- এই বসন্তের অষ্টাদশী!
ভাঙলে হৃদয় আমার ভাঙুক! বুঝতেই বা কার দায় পড়েছে?
তুমি তো খুউব ভালোই আছো- অষ্টাদশীর প্রেমের কাছে!
একলা জীবন একলা কাটুক, ক – দিনই বা মানুষ বাঁচে?
কতটাই বা পুড়বে হৃদয়, এক পুরুষের প্রেমের আঁচে?



