জান্নাত জারা ২০০৩ সালের ২১ সেপ্টেম্বর পটুয়াখালী জেলার ইটবাড়িয়া ইউনিয়নের কাছিছিড়া গ্রামের এক মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পুরো নাম জান্নাতুল ফেরদৌসি জারা৷ বাবা মোঃ আল-আমিন পেশায় একজন সরকারি চাকুরীজীবি। মা শাহিদা আমিন গৃহিণী। জান্নাত জারা ছোটোবেলা থেকে গ্রামেই বেড়ে উঠেছেন। গ্রামের প্রকৃতি, মাটি, নদী, ফসলের সাথে তিনি নাড়ীর টান অনুভব করেন সবসময়৷ ইটবাড়িয়া ইউ সি কে মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসি সম্পন্ন করে পটুয়াখালী সরকারি মহিলা কলেজে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হন। এবং পড়াশোনার সুবিধার্থে স্থায়ীভাবে শহরেই বসবাস শুরু করেন। বর্তমানে তিনি পটুয়াখালী সরকারি কলেজের ইংরেজি বিভাগে অধ্যায়নরত আছেন। সমাজের যেকোনো অন্যায়ে তার প্রতিবাদী কন্ঠস্বর সবসময় প্রতীয়মান হয়, এবং দক্ষতার সাথে নেতৃত্ব দিয়ে থাকেন। তিনি মনে করেন, সমাজের যেকোনো অস্থিতিশীল অবস্থায় সবার সম্মিলিত ভাবে এগিয়ে আসা উচিত। অন্যের কল্যানে নিজেকে উৎসর্গ করা এবং সবসময় সমাজের দুস্থ মানুষের পাশে থাকা তার একমাত্র লক্ষ্য। ব্যাক্তি জীবনে তিনি তার বাবাকে আদর্শ মনে করেন।
অবসর সময়ে তার অনুভুতি গুলোকে শব্দের সাথে শব্দ জুরে দিয়ে কবিতায় রুপ দিতে ভালোবাসেন। এবং তার লেখা সব কবিতাই সুহাস নামের এক কাল্পনিক চরিত্রকে উৎসর্গ করেন৷ তার কবিতায় প্রেম, বিরহ, এবং আত্মিক ভালোবাসার উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। তিনি লেখেন দেশ, সমাজ, ও প্রতিটি মানুষের মস্তিষ্কে বসবাস করা নিকটতম দুরত্বের প্রিয় মানুষকে নিয়ে। লেখালেখি শুরু করেন শখের বসেই তবে লিখে যেতে চান আমৃত্যু।।
সাধারণত সবার নীল রঙ পছন্দ হলেও জান্নাত জারা পছন্দ করেন প্রকৃতির গাঢ় সবুজ রঙ। অবসরে বই পড়তে ভালোবাসেন এবং বিভিন্ন লেখকের বই সংগ্রহ করা তার শখ। ব্যাক্তি জীবনে তিনি একজন ভ্রমনপিপাসু এবং চা প্রেমী মানুষ। সবুজ প্রকৃতি ও বৃক্ষরাজীর প্রতি তীব্র ভালোবাসা দেখে শুভাকাঙ্ক্ষীরা তাকে চারুলতা বলে ডাকেন।



