“কিহহহহহহহহহ!বোইন তুই কি বললি এটা? আসলেই? তুই কি মজা করছিস?”____(আফিয়া)
“আরে হ্যা। দাদি বললো তো। আমার সব কেমন যেনো লাগছে। ভালোই হয়েছে বাবা রাজি না। তা নাহলে ঐ বড়লোক বাপের বিগরানো ওঁলাদটার সাথে সংসার করতে হতো। যারে দেখলে আমার মাথায় হাইভোল্ট লাগে তার সাথে সারাজীবন কাটানো অসম্ভব।”______(স্নিগ্ধা)
“দেখ এ ব্যাপারে আমি তোর বিপক্ষে। মানুষটা ওতটা মন্দোও না। বাস একটু ভাব বেশি। কিন্তু ভাব শহরের সবথেকে বড়লোক, হ্যান্ডসাম ছেলেটা তোর হবু স্বামী। আমি ভাবতেই পারছি না আদিব চৌধুরী আমার জিজু।”_____(আফিয়া)
“খবরদার ঐ লোকটাকে জিজু ডাকবি না। আমি ওনাকে মানি না। আর আমাদের বিয়েও তো হয় নি। বাস ফুফু বাবাকে বলেছিলেন। আর এখন তো ফুফু নেই। সুতরাং এই কথারও কোনো মূল্য নেই।”____(স্নিগ্ধা)
“সে তুই যা বলিস। আমি তো আদিব চৌধুরীকে জিজু ডাকবোই। আর তার ঐ চামচাটারে তার হাতে হেনস্তা করব। “_____(আফিয়া)
“দিবাস্বপ্ন দেখা ভালো। কিন্তু আমার কথা হচ্ছে আবির ভাই আর ফুফু কোথায়? তারা কি বেঁচে আছে? যদি বেঁচে থাকে তাহলে এতো বছরে তারা বাড়ি ফিরলো না কেনো? বুঝলাম সে ঐ বাড়িতে যাবে না। কিন্তু আমাদের কাছে আসতে পারতো। সে তো জানে বাবা তাকে কতটা ভালবাসে। আর দাদিকে দেখার জন্য হলেও তো একবার আসতে পারতো। আসলে ঐদিন কি হয়েছিল ফুফু আর আদিবের বাবার মধ্যে? ওর চাচাই কেনো এসেছিল আবির ভাই আর ফুফুর খবর নিয়ে? ফুফাও তো আসতে পারতেন। আমার এসব মাথায় ঢুকছে না।”______(স্নিগ্ধা)
তখনই স্নিগ্ধার ফোনে কল আসে আর স্নিগ্ধা কথা বলার জন্য বাইরে আসে। কথা শেষে রুমের দিকে যাচ্ছিল স্নিগ্ধা। তখনই আব্রাহাম চৌধুরীর সাথে ধাক্কা লাগে তার।
“দুঃখিত। আমি আপনাকে খেয়াল করিনি।”____(স্নিগ্ধা)
“সমস্যা নেই মা। মানুষ মাত্রই ভুল হতে পারে। তোমাকে না দেখতে আমার চেনা একজন মানুষের মত লাগে। আমি তারে খালা ডাকতাম। খুব আদর করতো একদম নিজের সন্তানের মতো। তা তোমার পরিচয়টা জানতে পারি মা?”_____(আব্রাহাম চৌধুরী)
“আমার নাম মেহেরুন স্নিগ্ধা। বাবার নাম সোহরাব হোসেন আর মায়ের নাম তামান্না বেগম। আমি এই অফিসে সাংবাদিক হিসেবে আছি।”______(স্নিগ্ধা)
স্নিগ্ধার কাছে তার পরিচয় শুনে আব্রাহাম চৌধুরী হতবাক হয়ে যায়। সে স্নিগ্ধার মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে চলে যায়।
“কিরে এখানে দাঁড়িয়ে কি করছিস? এইদিকে মাহিদ আমাদের ডাকছে।”_____(আফিয়া)
“হ্যা। চল।”____(স্নিগ্ধা)




অনেক সুন্দর 🥀
বাহ্