শোনো তবে,
আমি যখন তোমার চোখের দিকে তাকাই
আমি একটি প্রেমের সফেদ গোলাপ দেখতে পাাই।
হে সুদর্শন যুবক,
যখন আমি তোমার তুমিকে স্পর্শ করি,
তুমি কি জানো?
আমি কি অনুভব করি?
মহাবিশ্বে কোনো কিছুই চিরকাল স্থায়ী হয় না…
তেমনি স্থায়ী হওনি তুমিও…!
তবে আমরা দুজনেই জানি,
হৃদয় পরিবর্তন করতে পারে বিশ্ব ব্রহ্মান্ডের
যেকোনো অসম্ভবকে..!
তোমার তুমি এই অসম্ভবের তীব্রতা উপেক্ষা করে
এক আলোকবর্ষ দুরত্বে নিজেকে নিয়ে চলে গেলে…
কোনো এক নভেম্বরের ঠান্ডা বৃষ্টিতে
তুমি আমি, আমার তুমি আর তোমার আমি হয়েছিলাম।
এত দীর্ঘ সময় তোমাকে পেয়ে
এই সুখ টুকুকে আমি আমার
ব্যাথা নিরাময়ের ঔষধ বলেছিলাম…
তোমার সাথে আমার চায়ের কাপে চুমুক দেওয়া,
দূরে হাঁটা, গুন গুন করে গান গাওয়া, হুড তোলা রিকশায় জড়োসড়ো হয়ে শহরের সমস্ত অলি গলিতে নিজেদের পদচিহ্ন রেখে যাওয়া
কিংবা নভেম্বর এর বৃষ্টি তে ভেজা,
সবকিছুই ভালোবাসার অংশ ছিলো…
আমি এখনো আমার তপ্ত হৃদয় কে প্রসন্ন করতে পারি, পারি এই ভেবে মস্তিষ্ক কে বিশ্রাম দিতে যে
তুমি শুধু আমার।
তোমার সব আমার।
শুধু আমার।
আমি নভেম্বরের ঠান্ডা বৃষ্টিতে হাঁটতে হাঁটতে একাই শেষ করে ফেলব তুমি বিহীন বাকী এই বিশাল পথ…
তোমার চলে যাওয়া এতটাই দীর্ঘ যে,
তোমার যাওয়ার দিকে তাকিয়েই কেটে যাবে এক শতাব্দী…
আচ্ছা, তোমার কি নিজের জন্য কিছু সময় প্রয়োজন?
একান্ত নিজের?
তোমার কি একা কিছু সময় দরকার?
নিজের সাথে নিজের কথা বলতে??
তবে কি ফিরবে তুমি??
যেমন ফেরে নীড়ে উরে যাওয়া পক্ষি যুগল…
পৃথিবীতে তো কোনো কিছু ই স্থায়ী হয়না..
বেলীফুলের ঘ্রাণ, সকালের কুয়াশা,
পাখির কুহুতান, আমার প্রিয় সাদা শার্টে লেপ্টে থাকা তোমার শরীরের ঘ্রাণ, কিংবা কপালে তোমার ভালোবাসার পরশ, এমনকি
নভেম্বরের ঠান্ডা বৃষ্টি ও না।
সবকিছু নশ্বর।
সবকিছু…
তুমি কি মনে করো না?
নশ্বর পৃথিবীতে চিরকাল থেকে যাওয়ার মত তোমার কাউকে দরকার?? যে তোমাাকে আঁকড়ে থাকে,
শেকরবীহীন শুন্যলতা নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে যেমন আগলে থাকে কোনো বটবৃক্ষকে….
প্রত্যেকেরই কাউকে না কাউকে দরকার হয় …
তোমার একার নয়
তোমার একার নয়…



