জানিনা তেমায় কি বলে ডাকবো
অপ্সরা,অনামিকা নাকি অনন্যা
তুমি যদি কভুও হাসো একবার
ধরনীতে বয়ে যায় সুখের বন্যা।
আমি অন্য দশ জনের মতো নয়
শুধুই আমার মতো তোমায় বালোবাসি
পৃথিবীর সমস্ত বাধা ছিন্ন করে
তোমারি লাগি ফিরে ফিরে আসি।
কোনো এক কবির কাব্যের কবিতায়
ছন্দের তালে দিয়েছো ব্যঞ্জনা
আমি বিনয়ের সাথে রইলাম তাকিয়ে
মুখ বুজে সয়েছি শত গঞ্জনা।
“নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ”ছুয়ে দেয় এ অঙ্গ
রঙ্গিন হয়ে যায় সোনালি কায়া
তোমায় পাবো বলে স্বপ্ন দেখে যাই
তোমার মাঝেই নীল-সাগরের মায়া।
আমি একাই বিশ্বকে করবো জয়
প্রিয়ার প্রেরনা থাকলে সাথে
“কঠিন প্রেমের কাব্য”করবো রচনা
কবি হয়ে নিপুণ হাতে।
নাটোরের বনলতা আর শাহজাহানের তাজমহল
মুগ্ধ করেছে মানবিক প্রান
তোমার মাথার কেশ যেন ফুটন্ত গোলাপ
সুভাষিত চারিপাশ মধুর ঘ্রান।
হৃদয়ের ডোরে বেঁধে রেখো মোরে
হারাতে চাইনা তোমার ভালোবাসা
দুঃসময়ের ক্ষনে সাহস দিও মনে
তবেই পাবো বেঁচে থাকার আশা।



