জগতে কিছু মানুষ এমন হয়…
যাদের উপেক্ষা করবার শক্তি কারোর নেই!
কেমন জানি,দেখলেই প্রেমে পড়ে যেতে ইচ্ছে হয়!
ভালোবাসতে ইচ্ছে হয়,চাইলেও তাদের থেকে নিজেকে আড়াল করা যায় না!
মহিব ছিলো তেমনই একজন!
প্রথম যেদিন মহিবকে দেখি,মনে হচ্ছিল যুগ যুগ ধরে আমি অপেক্ষা করে আছি কেবল ওরে ভালোবাসবো বলে!
মহিব সুপুরুষ, দায়িত্ববান, অসহায় মানুষদের পাশে থাকে সর্বদা!
রাস্তায় অনাহারী শিশু দেখলে ওর প্রান কেঁদে ওঠে!
মহিবের নিজস্ব কিছু গুণও আমাকে আকৃষ্ট করে বারবার!
এই যেমন– ও ভীষণ বইপ্রেমি, পাহাড় ভালোবাসে,সমুদ্র দেখতে চায়!
ওর গ্রাম ভালো লাগে,নদী দেখলেই দাঁড়িয়ে যায়!
মুগ্ধ চোখে ঢেউ দেখে- প্রকৃতির সাধারণ রুপও ওর চোখে অসাধারণ!
এই যে এত এত বৈশিষ্ট্য মহিবের!
এসবই মুগ্ধ করে আমাকে!
সত্যি বলতে– ওর প্রেমে পড়তে চাইনি আমি,
কিন্তু ফেরাতেও পারিনি নিজেকে….
আমি খুউব করে জানি– শতবছরের অপেক্ষা শেষে হয়তো একদিন দেখা দিবে অঘোষিত মৃত্যুর দূত!
এই জনমে মহিবকে পাওয়া অসম্ভব!
হয়তো পরকালেও মিলবে না মহিবের দেখা!
জন্মান্তর বলতে কিছু নেই….
তাই মহিবকে পাওয়ার আশাও করিনা!
শুধু জানি– মহিবকে ভালোবাসি!
মহিব বাস্তবে আমার না হোক– কিন্তু ও আমৃত্যু মনে থেকে যাবে!
যেমন করে থেকে যায় জন্মদাগ,
তেমন ভাবে থেকে যাবে মহিবও…
ভীষণ আপনার কেউ হয়ে!
আমি চাই– মহিব থেকে যাক আমার ক্ষুদ্র মস্তিষ্কে….
মহিব কে ভুলে থাকার দুঃসাহস আমার নেই!



