যেকোনো নাটকের শেষ দৃশ্যে আমি মহিবকে কল্পনা করি!
মন খারাপ হলে সমস্ত অদ্ভুত কান্ড মাথায় আসে,
মধ্যরাতে চায়ের নেশা ধরে,
কনকনে ঠান্ডায় পুকুরে পা ডুবিয়ে বসে থাকতে ইচ্ছে হয়!
সমস্ত অভিমান পকেটে ঢুকিয়ে পাঁচশ টাকার নোটের সাথে বিক্রি করে দেই পরোটার দোকানে-
মাছের টুকরো ছড়িয়ে দিয়ে বেড়ালদের যুদ্ধ দেখতে ভয়ানক ভালো লাগে!
মাঝে মধ্যে আকাশের ঠিকানায় ‘ ভালো নেই তবুও ভালো থেকো’ শিরোনামে চিঠি পাঠাই,
মহিবকে দেখতে ইচ্ছে হলে,কয়েকটা ঝরা পাতার উড়ে যাওয়ার দৃশ্য চোখে পড়ে,
বিছিয়ে রাখা ধানের ওপরে উড়ে আসে কতকগুলো শালিক-
ওদের তাড়াতে ইচ্ছে করে না!
কখনো সখনো শরৎচন্দ্র পড়তেও বিরক্তি লাগে, একঘেয়ে লাগে সময়,
মানুষ জন ডাকলে সাড়া দেই না, ঘুমিয়ে পড়ি অবেলায়!
সুনীল কিংবা স্বপ্নীল কারোর কবিতা পড়তে ভাল্লাগে না,
প্রেমে ব্যর্থ হওয়া সেই লায়লাকে মনে পড়ে,
তবুও- পূর্ণতা পাবেনা জেনেও মহিবকে আমি ভালোবেসে যাই!




দুর্দান্ত সব উপমা। দারুণ লেখা।