কতকিছুই তো ফিরে আসে মহিব, যে পাখিটা অভিমানে খাঁচা ছেড়ে উড়ে গিয়েছিলো আর ফিরবে না বলে-
সেও ফিরে আসে বসন্তের কোনো এক আশ্চর্য দুপুরে!
তুমিও আজ-কাল অন্যরকম ভীষণ, পাখিদের পোষ মানাতে চাও,
যে উড়তে চায়, জোর করে তারে আগলে রাখো বুকের কাছে,
অথচ – তোমারে চাইতে গিয়া আমার ব্যয় হইলো জীবনের কতশত দিন!
তবু্ও, তুমি আমারে ভালোবাসো না,এইসব টুকটাক দুঃখ নিয়ে রোজ ঘুমাতে যাই, পাশ বালিশে দুঃখ রেখে খোশগল্প করি,
যে কথা বলা হয় না,সেই কথারা মধ্যরাতের তারা হয়ে ইশারা করে মাঝে মধ্যে,
কিছু জিনিস এড়িয়ে যাওয়াটা ভালো, তবুও উপেক্ষা ডিঙিয়ে তোমার পথে বিছিয়ে রাখি শুভ্র ফুলের ডালা!
তোমাকে বোঝাতেই পারিনা মহিব, মানুষ মরে গেলে তার শোক ক্ষনস্থায়ী –
মৃত মানুষের জন্য অপেক্ষা পুষতে নেই,
তুমি সবটা দিয়ে অপেক্ষা করলেও,মৃত মানুষ ফিরবেনা,
সবচেয়ে বড় কথা- কেউ মরে গেলে অন্তত স্বান্তনা নিয়ে ঘুমানো যায়!
অথচ – বেঁচে থাকতেই তুমি যারে দিলে না পাওয়ার শোক?
সে কিভাবে ভালো থাকে বলো,
তোমাকে আকাশ সমান ভালোবাসি, এই সমস্ত কথা জানার পরেও তুমি অবহেলায় এড়িয়ে গেলে সব,
কোনোকালে তার দুঃখ তুমি বুঝবে মহিব?
কিছু নির্মম সত্য– চাইলেও মেনে নেয়া যায় না, মানিয়ে নিয়ে ভালো থাকা যায় না এ নশ্বর পৃথিবীতে,
যেমন- এক জীবনের সমস্ত অপেক্ষা উৎসর্গ করেও তোমার দেখা মিলবে না,
আমার আঙিনা জুড়ে তোমার চলে যাওয়া কিংবা ফিরে আসার দৃশ্য দেখা হবে না কোনোকালে,
এই সমস্ত সত্য মাঝে মধ্যে ভয়ংকর রকমের মিথ্যে মনে হয়!
মনে হয়- সবকিছু ঠিক হবে একদিন,
হটাৎ সাইত্রিশ বছর পরে, একটা নবান্নের ভোরে তুমি আসবে,
তুমি আসবেই মহিব!
পৃথিবীর সমস্ত ভালোবাসা পকেট বন্দি করে, কোনো রক্তজবার লালের সঙ্গে মিশিয়ে,
তুমি আসবেই মহিব!




না হয় সাইত্রিশ এর আগেই আসুক সে??
ইন শা আল্লাহ
আসলে মানুষ মরে গেলে তার শোক ক্ষনস্থায়ী
হুমম আমাদের সকল অপেক্ষা জীবিত মানুষের জন্য
কিছু জিনিস এড়িয়ে যাওয়াটা ভালো, তবুও উপেক্ষা ডিঙিয়ে তোমার পথে বিছিয়ে রাখি শুভ্র ফুলের ডালা!
এই অপেক্ষার অবসান হোক একদিন
এড়িয়ে যাওয়া ভালো জেনেও এড়িয়ে যাওয়া যায় না
খুব সুন্দর যথারীতি
ধন্যবাদ ভাইয়া
বাহ,অসাধারণ লেখা
ধন্যবাদ আপনাকে
কিছু নির্মম সত্য– চাইলেও মেনে নেয়া যায় না, মানিয়ে নিয়ে ভালো থাকা যায় না এ নশ্বর পৃথিবীতে,
লাইনটা অতি চমৎকার লাগলো
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ, অনুধাবন করার জন্য…
এই মহিব কে?
মনে হয়- সবকিছু ঠিক হবে একদিন,
হটাৎ সাইত্রিশ বছর পরে, একটা নবান্নের ভোরে তুমি আসবে,