মুলত তোমাকে যখন মনে পড়ে,তখন জাগতিক সমস্ত দুঃখগুলোকে আমি একপাশে জড়ো করি!
অভিমানে মুখ ভার করি একা একাই, চারপাশে কেউ থাকে না-
তবুও জনসমুদ্রে ভাষন দেয়ার মতো করে,অভিমানের নামটা বলি মুখস্থ!
হটাৎ কোথা থেকে উড়ে আসা একটা বাজপাখি দেখে,সদ্য মা হওয়া মুরগীটা বাচ্চা গুলো পাখার নিচে আগলে রাখে,
কোনো একটা মাছরাঙা বসে থাকে পুকুর ধারের আমগাছ টায়,
পানির নিচে তার তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে মাছগুলো ভয়ে লুকিয়ে পড়ে,
এইসব দৃশ্য দেখতে দেখতে তোমাকে লিখতে বসি দূর্লভ কোনো প্রেমের কবিতা!
মাঝে মাঝেই আমার দৃষ্টিভ্রম হয়, আইলের ধারে দাঁড়িয়ে থাকা কোনো আগন্তুক দেখলেই হটাৎ তোমাকে মনে পড়ে,
মনে হয়,এই যে হেঁটে যাচ্ছে, অচেনা লোকটা, এ আবার তুমি নওতো?
দীর্ঘ সময় কান পেতে তার চলে যাওয়ার শব্দ শুনি!
তারপর সন্ধ্যা হয়,পাখিরা ঘরে ফেরে, আমি অপেক্ষায় থাকি-
উড়ে যাওয়া কোনো জোনাক পোকা দেখলে মনে পড়ে,
তুমি বড্ড জোৎস্না ভালোবাসতে,
জোনাকির রঙ জোৎস্নার মতো,তাই জোনাক পোকা ধরে টিপে মারতে ইচ্ছে হয়!
কেবল তুমি আসবে বলে ওদেরকে রেহাই দেই, তুমি আসো না!
আচ্ছা বলোতো- তুমি আর কবে আসবে?
একসাথে ঘরের সমস্ত বাতি নিভিয়ে জোনাকির আলোয় ভরে যাবে আমাদের ঘর!
নাকি আসবেই না- একটা ফুরিয়ে যাওয়া বসন্তকে কোঠরবন্দি করে রাখবো আর কতকাল?




কী যে চমৎকার লেখো তুমি!
ধন্যবাদ! আপনার মতামত আমাদের জন্য অনেক মূল্যবান।