“এই ভুতের বাড়িতে না গেলে হয় না। কেনো জেনে শুনে ভুতদের দাওয়াত দিচ্ছি আমরা? আজকে তো আমরা তিনজন। তাদের আজকে ভুরিভোজ। আচ্ছা তারা কি আগে ঘাড় মটকাবে? শুনেছি মরার পর নাকি মানুষ ভুত হয়ে যায়। আমিও কি হবো? আর ভুত হলে কি আমারে খুব খারাপ দেখাবে? ঐ রাতকানা এমনিতেই তেঁতুল গাছের পেত্নী বলে আর ভুত হলে তো আরো বেশি বলবে। অবশ্য ভালোই হবে ভুত হয়ে সবার আগে ওর ঘাড় মটকাবো।”____(আফিয়া)
“এই তুই একটু চুপ থাকবি? এতো কিসের ভয়? কয়েক বার তো এসেছি আমরা কিছু কি দেখেছিস?”____(স্নিগ্ধা)
” আরে এতো দিন তাদের জ্বালাতন করছি। আজকে যদি তার প্রতিশোধ নেয়?”____(আফিয়া)
“চুপ। আর যদি এমন করিস তবে তোকে এখানে একা রেখে আমরা চলে যাব।”____(স্নিগ্ধা)
“আচ্ছা। আমি আর কিছু বলব না। ভুত আমার পুত পেতনি আমার জি তাইলে আর ভয় কি।”____(আফিয়া)
“এটা আবার কি বলছেন আপনি?”_____(মাহিদ)
“ভুত ভাগানোর মন্ত্র। আপনিও পড়ুন মাহিদ। ভুত আর আপনার কাছে আসতে পারবে না।”_____(আফিয়া)
“কিসব বলেন আপনি? পাবনার লোকেরা আপনাকে কবে ছাড়লো? তাদের তো জানা উচিত তাদের একটা রোগী ভুলে লোকালয়ে প্রবেশ করছে।”____(মাহিদ)
“কি? আপনি আমাকে এভাবে বলতে পারলেন? আমি বিশ্বাস করি না (কাঁদো কাঁদো গলায়)।”____(আফিয়া)
মাহিদ কিছু বলতে যাবে তখনই স্নিগ্ধার ডাকে তারা দুজন স্নিগ্ধার কাছে যায়।
“কি হয়েছে মিস. স্নিগ্ধা? আপনি কি কিছু পেয়েছেন নাকি?”____(মাহিদ)
“সারা জমিদার বাড়ি ঘুরে কিছুই পেলাম না আর ও এই ভাঙ্গা ঘরে কি আর পাবে?”_____(আফিয়া)
“এই দেখুন মাহিদ সিগারেট আর কতগুলো খাবারের প্যাকেট। মনে হয় গতকাল রাতে এখানে অনেকগুলো লোক মিলে খাওয়া দাওয়া করেছে। অথচ গত ৫/৬ বছরে এই বাড়িতে কেউ পা রাখেনি। তবে এগুলো এখানে কি করে এলো?”____(স্নিগ্ধা)
“তার মানে কালকের ঐ বৃদ্ধ লোকটা ঠিকই বলেছে। এসবের আড়ালে কে বা কারা আছে? তারা কি করছে? এসব খুঁজে বের করতে হবে। আজকে চলুন। আবার অন্য দিন আসব।”_____(মাহিদ)
______________
সোহরাব হোসেন বসে খবরের কাগজ পড়ছিলেন। আর হালিমা বেগম চা খাচ্ছিলেন। তখনই তাদের দরজায় কলিং বেল বেজে ওঠে।
“তামান্না, দরজা খুলে দেখ তো কে এসেছে?”____(সোহরাব হোসেন)
“দেখছি।”___(তামান্না বেগম)
তামান্না বেগম দরজা খুলে সামনে থাকা মানুষকে দেখে স্তব্ধ হয়ে যায়।
“কি হলো কে এসেছে? কিছু বলছো না কেনো?”____(সোহরাব হোসেন)
এই বলে সোহরাব হোসেন দরজার সামনে গিয়ে দাঁড়ায়।
“আদিব তুই? তুই এখানে কেনো এসেছিস?”____(সোহরাব হোসেন)
“মামু। আমার তোমাকে কিছু বলার আছে। দয়া করে আজকে শোনো।”____(আদিব)
“না। আমি কিছু শুনতে চাই না। তোর বাবা একটা বেইমান। আমার বোনকে শেষ করে দিয়েছে। আর তুই কি ভাবছিস তুই স্নিগ্ধাকে পাবি? আমি বেঁচে থাকতে কখনো তা হবে না।”____(সোহরাব হোসেন)
“সোহরাব! কাকে কি বলছিস? তুই কি ভুলে গেছিস ও এ বাড়ির নাতি আর স্নিগ্ধার স্বামী।”____(হালিমা বেগম)
“নানুভাই, তুমি মামাকে বোঝাও। বিশ্বাস করো মায়ের আর আবিরের চলে যাওয়াতে বাবার কোনো দোষ নেই। সব দোষ আমার। মামু আমার কথাগুলো একবার শোনো। বাবা এতো বছর ধরে সেই ভুলের শাস্তি পাচ্ছে যা সে করেই নি।”_____(আদিব)
“আমি কিছুই শুনতে চাই না। এখান থেকে চলে যা তুই। আমার মেয়ের থেকে দূরে থাক। আর ভুলে যা এই বিয়ে। ভুলে যা আমার মেয়েকে।”____(সোহরাব হোসেন)
এই বলে আদিব কে টেনে দরজার বাইরে বের করে দিয়ে দরজা বন্ধ করে দেয় সোহরাব হোসেন। হালিমা বেগম আর তামান্না বেগম তাকে আটকাতে চেষ্টা করলেও আটকাতে পারেনি। আদিব অনেকক্ষণ দরজা ধাক্কা দিলেও কেউ দরজা খোলে না। তামান্না বেগম খুলতে চাইলে সোহরাব হোসেন তাকে বাধা দেয়। আদিব আর কিছু না বলে চলে যাওয়ার জন্য সিড়ি দিয়ে নামছিল। তখন স্নিগ্ধার সাথে দেখা হয়। আদিব অসহায় চোখে স্নিগ্ধার দিকে তাকিয়ে থাকে। আদিবের বিদ্ধস্ত অবস্থা দেখে স্নিগ্ধার বুকের ভিতর মোচড় দিয়ে ওঠে। স্নিগ্ধা কিছু জিজ্ঞেস করার আগেই আদিব পাশ কাটিয়ে চলে যায়। আর স্নিগ্ধা তার যাওয়ার দিকে তাকিয়ে ভাবে আদিব কেনো তাদের বাসায় এসেছিল? আর তার চোখ মুখের এমন অবস্থাই বা কেনো? কি সম্পর্ক আদিবের এই বাড়ির সাথে?




Nice
অসাধারণ
অসাধারণ লেখা
[527]1xbet Login Malaysia | Slot Online Trusted & App APK Download,1xbet menawarkan slot online trusted Malaysia dengan proses deposit casino yang mudah. Muat turun app APK sekarang dan nikmati pengalaman permainan terbaik. visit: 1xbet
[9157]toto লগইন ও অ্যাপ ডাউনলোড | বিকাশ ক্যাসিনো ডিপোজিট ও স্লট গেম,toto login করুন এবং অ্যাপ ডাউনলোড করে লাইভ ক্যাসিনো বোনাস অফার বুঝে নিন। বিকাশ দিয়ে ক্যাসিনো ডিপোজিট করে সহজেই স্লট গেম খেলুন। আজই যোগ দিন। visit: toto