অনন্ত মহাকালের পথে শুরু হল যাত্রা,
অদৃশ্য সীমারেখা ভেদ করে মানবের মাত্রা।
তারার আলোয় সেজে ওঠে রাতের প্রান্তর,
অন্ধকারে মিশে যায় সূর্যের ক্ষীণ অঙ্কুর।
অন্ধকারের বুক চিরে আলো দেয় ডাক,
অজানার পানে পাড়ি, নয় কোনো ফাঁক।
নক্ষত্রের মিছিল, গ্রহের মৃদু স্পন্দন,
প্রতিটি ধাপে জাগে নতুন এক বোধের বন্ধন।
বিশালতার মাঝে খুঁজে ফেরে প্রাণ,
প্রশ্ন জাগে মনের গভীরে এ কিসের টান?
অসীম মহাকাশ, তার রহস্যময় রূপ,
জীবন যেন এক নক্ষত্রময় সূর্যোপ।
সময় থেমে যায়, তবু গতি থামে না,
মহাকাশের কোলে বাজে জীবনের সুরানা।
প্রতি শ্বাসে বয়ে যায় বিস্ময়কর কাব্য,
মানবের আকাঙ্ক্ষা পায় চিরন্তন প্রত্যয়।
পথের শেষ কোথায়? কে জানে তা?
জীবন কি তবে শুধুই মহাকালের ছায়া?
যেখানে সবকিছু মিশে যায় এক বিন্দুতে,
তবু আশার প্রদীপ জ্বলে চিরন্তন তুফানে।
নক্ষত্রেরা সাক্ষী, গ্রহের মৃদু আলো,
যাত্রার গতি যেন চিরজাগ্রত।
মহাকাশের বুকে, অজানা সেই অন্তে,
মানুষের স্বপ্ন খুঁজে ফেরে নিজ মন্ত্রে।
যাত্রা শুধু সামনে, নেই পিছু ফেরা,
এই মহাজাগতিক নৃত্যে, আনন্দের সুর ধরা।
প্রতি পদক্ষেপে জাগে নবজন্মের প্রতিশ্রুতি,
মহাকালের বুকে গাঁথা মানবের রীতি।
মহাকাশের সীমানা, অনন্তের ডাক,
জীবনের সুর যেন অসীমের ফাঁক।
যাত্রার শেষ নেই, নেই কোনো পরিণাম,
কেবল পথচলা, অনন্তের ধ্রুবধাম।
তারাদের মাঝে খুঁজে পাই শান্তি,
মহাকালের বাঁকে বাজে জীবনের প্রতিজ্ঞা।
অসীমের প্রেমে বাঁধা এই প্রাণ,
মহাকাশের হৃদয়ে গেয়ে যায় গান।
এই যাত্রা চিরকাল, শেষ নেই কোনোদিন,
মহাকালের বুকে লেখা আছে জীবনের বিন্দু।
অসীম মহাকাশে, অনন্তের প্রান্তরে,
মানুষের কাব্য রয়ে যাবে চিরন্তন মনে।



