এখনো বোঝনি জানি, কতটা মারণ বিষে নিভে যায় শিখা;
পুড়ে পুড়ে তুষানলে, হেমলক খুঁজি- ফেলে রেখে অমৃত বটিকা।
আষাঢ় শ্রাবণ যায়, ভাঙা নায়ে উছলায় পানি;
বোঝনি কতটা ভুলে, উথাল পাথাল স্রোতে টলমল একলা পারানি।
তুমি তো তেমনই আছো, নির্বিকার। আমি একা, চাঁদের শরীর থেকে
নিখাঁদ কলঙ্ক মেখে- সে ছায়ায় লুকোই নিজেকে।
এভাবে লুকোনো যায়? পাথরের আরশিতে কে কবে দেখেছে নিজ মুখ?
শুধু জানি এ আমার বোধি প্রাপ্তি, অনারোগ্য তীব্র অসুখ।
বিষ যত নীল হয়, তত তার মদিরতা বাড়ে।
শোক যত গাঢ়- ঠিক ততটাই বিষাদের জমাট পাহাড়ে
অদ্ভুত সুখের নিবাস। তুমি জানো, সুখ মানে অসুখেরই আর ডাকনাম।
বুঝে বা না বুঝে তাই- এই হাটে নিজেকেই তুলেছি নিলাম।
জানি তুমি কোনদিন উদ্ধত চোখ থেকে নামাবেনা কালো সানগ্লাস;
নিটোল মুখের থেকে সরবেনা কোনদিন- আমারও এ ভ্রান্তিবিলাস।
বারবার আশ্লেষে ছুঁড়ে দেবে তাচ্ছিল্যের কণা কণা রোদ;
সে তাপে দগ্ধ হব, একাই বাজিয়ে যাব ছেঁড়া তার- ক্লান্ত সরোদ।
মনে রেখ একদিন ঝরে যাবে অহংকার, লাবণ্যের বিম্বিত ঢেউ;
সরে যাবে মোহাকুল পতঙ্গের আত্মঘাতী ভিড়। সেদিনও জানবে, কেউ
ঠিক আছে। তোমাতেই সব সমর্পণ
করে দিয়ে, একা তার সব নিয়ে- উজাড় ফাগুন মাস. উজাড় শ্রাবণ।




আবেগদীপ্ত!
ধন্যবাদ