সুহাসিনী অপেক্ষায় আছে তার নীলাদ্রের।
কখন আসবে তার নীলাদ্র,
সাত সমুদ্র পাড়ি দিয়ে।
আজ যে এক যুগ পার হতে চললো,
সুহাসিনী তার নীলাদ্রকে দেখেনি,
পায়নি তার ছোঁয়া।
তৃষ্ণার্ত কাকের মত সে নীলাদ্রের পথ চেয়ে আছে,
অভিমানেরা দলা পাকিয়ে অশ্রু হয়ে ঝরছে।
নীলাদ্রের কি একবারও তার অভিমানীর কথা মনে পড়ে না,
একবারও কি দেখতে ইচ্ছে করে না?
কত কথা বলার আছে নীলাদ্রকে,
কত কথা জমে আছে মনের পাতায়।
নীলাদ্র কি বোঝেনা তা?
বসন্তের পর বসন্ত এসে কড়া নেড়ে যায় দরজায়,
তার দেয়া গোলাপটাও শুকিয়ে গেছে সেই কবে,
ঠাঁই মিলেছে তার পুরনো ডাইরির ভাঁজে।
ডাইরির পাতাও ফুরিয়ে এসেছে,
তাও দেখা মেলেনি নীলাদ্রের।
নীলাদ্রের অপেক্ষায় প্রহর গুনে চলেছে সে।
সে জানে তার নীলাদ্র ফিরবে তার সুহাসিনীর নীড়ে।
কারন সে যে তার অনুরাগের সুহাসিনী।
সে যে নীলাদ্রের সুহাসিনী।



