যে অক্ষর ভাঙলে অপেক্ষা নামক শব্দ বের হয় তা বোধহয় আমি।
বোধহয় শব্দরা এত অভিমান করে আমার সাথে।
যেটা ভেঙ্গে বেড়ায় তা পাজড় ভেঙ্গে বের হয়…!!
সেদিন একটা গ্লাস ভেঙে ছিলাম রাগ করে। খুব রাগ হয়ে ছিলো তখন-
অতঃপর ভাঙ্গা কাঁচটা কুড়াতে গেলাম ঠিক তখনই
দেহের একটা অংশ থেকে রক্ত ঝড়লো অনবরত।
খুব ব্যাথা অনুভব হলো তখন।
তবে এটা বুঝলাম-
রাগে ভেঙ্গে যাওয়া কাচের শব্দের থেকে কুড়িয়ে যাওয়া কাচ তুলতে গিয়ে কেটে যাওয়া অংশের শব্দ অনেক তীব্র।আর সেই কাঁচ জোড়া লাগবে তার তীব্রতা যে কত ডেসিমেল যার ভেঙ্গে যায় সেই শুধু বোঝে।
তীব্র গরমে কাচের গলন করে নতুন কাচ তৈরি করা যায়।যে সম্পর্কের নাম আক্ষেপ সেখানে নতুন শব্দ তৈরি করা বেশ কঠিন।
একটা মানুষকে কত যে কাঠখোট্টা পোড়াতে হয়…!
পাজড় ভেঙ্গে বের হয়ে যাওয়া বুলি সেটা আমি নামক আমাকেই আঘাত করে।ওরা জানে না সম্পর্ক ভেঙ্গে যাওয়ার কি কস্ট!
ওরা জানে না নতুন শব্দ গঠনে কতটা সম্পর্কের দারে দারে ঘুরতে হয়।
আমি পিষে দেয় মানুষের সাথে চলি।কথা বলতে চাই।
কেনো জানি না এদের কে ছাড়া চলা যায় না।
একাকিত্ব কে আক্ষেপ নামক যে শব্দটা আপন করে নিয়েছে তার ভিতরে অনূভুতি গুলো শুধু অনুভব করা যায়। ওরা কোন শব্দ গঠন করে না। তাই পাজর ভেঙ্গে দেয় যে পিষে যাওয়া মানুষগুলো তাদের সাথেই আমার নিবীড় পথ চলা…!
বলতে হয় একাকিত্ব সুন্দর,কতটা সুন্দর তা শুধু নিজের প্রশ্ন করলেই বোঝা যায়। ভীর এরানো গেলে ভীরে থাকা মানুষ গুলোর গন্ধ আমাকে কাছে টানবেই।
যদি আপন মানুষ হয়ে থাকে। এভাবে করতে করতে-
অতঃপর আমি চলে যাবো বহুদূর…! পৃথিবীর শেষ সীমানায়-
হয়তো সমুদ্র, কিংবা পাহাড় আত্মার কথা বলবে।
যে লেখা হবে ঝড়ে পড়া মানুষের গল্প কিংবা সহস্র পৃষ্ঠার এক একটা উপন্যাস।।
আমরা গল্প করবো ব্যর্থতার,হেরে যাওয়ার আগে ভেঙ্গে যাওয়া মানুষের,যা চরম যন্ত্রণার। যার নাম হবে একটাই আক্ষেপ!!
আক্ষেপ | মুশফিকুর রহমান অনিক
গল্পকার
Leave a Comment



